সর্বশেষ

একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, বাকিদের স্থিতিশীল

মার্চ ১৫, ২০১৮

অনলাইন ডেস্ক : বিমান দুর্ঘটনায় আহত রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইমরানা কবির হাসির সিটিস্ক্যান করার প্রয়োজন। নেপালের কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (কেএমসি) পাঁচতলার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা চলছে তাঁর। আর ওই হাসপাতালের সিটিস্ক্যান বিভাগটি রয়েছে নিচতলায়।

আজ বৃহস্পতিবার চিকিৎসকেরা বলেন, নিচতলায় সিটিস্ক্যান করতে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই হাসির। তাঁকে নিয়ে আশঙ্কা কাটছে না। তাঁর শরীরের শতকরা ৭০ ভাগ পুড়ে গেছে, ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে। হাসির স্বামী রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রকিবুল হাসান ওই দিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। হাসির পরিবারের সদস্যেরা জানান, চিকিৎসকেরা অবস্থা একটু স্থিতিশীল বললেই তাঁকে ভারতে নিয়ে যাবেন তাঁরা।

গত সোমবার নেপালে ইউএস-বাংলা উড়োজাহাজ (বিএস-২১১) বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে নেপালের বিভিন্ন হাসপাতালে এখন আছেন নয়জন। আজ আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খবরাখবর নিতে ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করতে ঢাকা থেকে ১০ জন চিকিৎসকের একটা দল কাঠমান্ডুতে যাচ্ছে। ফরেনসিক চিকিৎসকদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তাঁরা।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ডা. রেজওয়ানুল হককে গতকাল বুধবার রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে গেছেন তাঁর বাবা মোজাম্মেল হক। একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। তিনি কাঠমান্ডুর ওম হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ছাড়া আহত শাহরিন আহমেদকে আজ ঢাকায় নিয়ে আসা হবে। নরভিক হাসপাতালে আইসিইউতে থাকা ইয়াকুব আলীকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করছেন পরিবারের সদস্যরা।

শেখ রশীদ রুবায়েত কেএমসিতে আছেন। তাঁর অবস্থা কিছুটা ভালো। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া চিকিৎসক দলের সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলার জন্য অপেক্ষা করছেন পরিবারের সদস্যরা। আহত মো. কবীর হোসেইনের ছেলে হেলাল ইবনে কবির বলেন, তাঁর বাবা পা নাড়াতে পারছেন না। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

বাকি তিনজন আলমুন নাহার অ্যানি, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, মেহেদী হাসান ও মো. শাহীন ব্যাপারী বাংলাদেশে আসতে পারবেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁরা চাইলে বাড়ি ফিরতে পারেন। তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও অপেক্ষা করছে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া মেডিকেল টিমের সঙ্গে কথা বলার জন্য।

 

​Leave a Comment